জ্যোতিষী ড. রামপ্রসাদ ভট্টাচার্য-এর-ভাবনা

সুখ – দুঃখ, আলো – ছায়া, হাসি – কান্না এ নিয়েই মানুষ। পৃফিবীতে এমন একজন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবেনা যে সুখ – দুঃখের বলয়ে কখনও আবদ্ধ হয়নি। সুখকে মানুষ যতটা উপভোগ করে, দুঃখকে ততটাই এড়িয়ে চলতে চায় – কিন্তু পর্থিব জীবনে এগুলোকে এড়িয়ে চলা মোটেই সহজ সাধ্য নয়। দুঃখে মানুষ ব্যথিত হয়, মর্মবেদনা উপলব্ধি করে। কিন্তু এই দুঃখকেও জয় করা যায় কবচ ও রত্নের মাধ্যমে। দুঃখের অমানিশায় মানুষ যখন হাবুডুবু খায় গ্রহবৈশুন্যে বেদনাহত হয় তখন রত্ন ও কবচ অমৃততুল্য ফলদান করে এবং দুঃখের অমানিশা হতে লোক বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়।

অনেকের দশ আঙ্গুঁলে ১০টি পাথর দেখা যায়, মনে রাখবেন, এতগুলো পাথর পরার কোনই প্রয়োজন নেই। যার এতগুলো গহ প্রতিকুলে আর্থাৎ অশুভ তারতো বেঁচে থাকারই কথা নয়। সর্বোচ্চ দুটো – তিনটে পাথর পরাই যথেষ্ট, এর বেশী কোন ক্রমেই নয়।

জ্যোতিষী রামপ্রসাদ ভট্রাচার্যের ভাবনাঃ

রামপ্রসাদ ভট্রাচার্য বাংলাদেশ সংস্কৃত পলি এডুকেশন বোর্ড, ঢাকা থেকে জ্যোতিষ শাস্ত্রীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ একজন জ্যোতিষী। এই পেশাতে তার রয়েছে দু’ যুগেরও বেশী অভিজ্ঞতা। তিনি এই পেশাকে একটি সমাজ সেবামূলক কাজ বলে মনে করেন। যদি কারো আর্থ উপার্জনই একমাএ পেশা হয় তবে তাঁর এই পেশায় আসাই উচিত নয়। কিছু কিছু ভন্ড জ্যোতিষী ও তাঁদের অর্থ লোলুপতার কারনে এই পেশাটি বিতর্কিত হয়েছে। প্রত্যেক পেশাতেই ভাল – মন্দ ব্যক্তি আছে। তেমনি এই পেশাতেও আছে। আশা করি জনসাধারন স্ববিবেচনায় ভাল – মন্দের পার্থক্য করতে সক্ষম হবেন। জ্যোতিষী রামপ্রসাদ ভট্রাচার্যের একটাই উদ্দেশ্য – সঠিক মূল্যে সঠিক রত্নটি সঠিক সময়ে জাগতিক বেদনাবিধুর লোকের হাতে রত্ন পৌঁছে দেয়া।

রত্নের উপকারিতাঃ

সভ্যতার সন্কট চলছে, তা সত্ত্বেও বিজ্ঞানের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। ফলে বিজ্ঞান ভিত্তিক নানা ধরনের গবেষনা করার সুযোগ বেড়েছে। রত্ন ও পাথরের গুনাগুনও এই গবেষনার মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে। সমাজের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিবর্গ রত্ন ও পাথরের প্রশংসা করে চলেছেন। উন্নত দেশেও Birth Stone  (জন্ম পাথর) পরেন। প্রাচ্য জ্যোতিষ শাস্ত্রে হাজার বছরেরও আগে বলা হয়েছে পাথরে রোগ – ব্যাধি ও মানবিক সমস্যাগুলো দূর করার শক্তি রাখে। অনেকে পাথর গুলোর মধ্যে মেমমেরিজম, টেলিপ্যাফি ও আধ্যাত্নিক বিদ্যার গুন আছে বলেছেন। রত্ন বিজ্ঞানীদের মতে, রত্নের মধ্যে এমন কিছু গুপ্ত শক্তি লুকিয়ে আছে যা থেকে জীবন রক্ষাকারী রশ্নি নির্গত হয়। রত্ন পাথর তার অন্তরনিহিত শক্তির বলেই গ্রহবৈগুন্য দূর করতে সক্ষম।

মনে রাখতে হবে, যার Action আছে  তার Reaction ও আছে। সুতরাং ভুল পাথর নির্বাচিত হলে অবশ্যই অশুভ ফল পেতে হবে। রত্নের উপকারিতা স্বল্প পরিসরে আলোচনা করা সম্ভব নয় এবং বিস্তারিত লিপিবদ্ধ করা প্রাসঙ্গিকও নয় বলে মনে করি।