কবচ


অব্যর্থ ফরদায়ক-তবে যিনি কবচ তৈরি করবেন তাঁকে সৎ, ধার্মিক, নির্লোভ ও নির্মোহ হতে হবে। এমন যিনি ধারণ করবেন তার উদ্দেশ্যও যদি সৎ হয় তবে কবচের ফল পেতে বাধা হওয়ার কথা নয়। গ্রহের দোষ ও কুপ্রভাব কাটানোর জন্য কবচ অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম। যেমন-সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছাক্রমে সময়ে সৃষ্টি, স্থিতি হয়ে থাকে। রুগ্নাবস্থায় শরীর শীর্ণ হলে যেরূপ বলকারক ঔষধ সেবনের প্রয়োজন, সেইরূপ রোগবশতঃ বা গ্রহপীড়ার আক্রমণ হেতু বলক্ষয়, মানসিক গ্লানি, পক্ষাঘাতাদি রোগপ্রকাশ, উন্মাদ, অপস্মার ইত্যাদি ঘটলে কবচধারণে বিষেশ উপকার ঘটে।পূর্বকালে ইহারমহিমা অবগত হয়ে সাধারন লোক কবচ গ্রহন করতেন। কবচ অনেক প্রকার। তার মধ্যে রাজবশীকরণ, নবগ্রহ, বগলামুখী, সর্বসিদ্ধা, ধনদা, মহামৃত্যঞ্জয়, রক্ষা এই কয়েকটি কবচই সমধিক প্রসিদ্ধ ও ব্যবহৃত। প্রত্যেক কবচের উদ্দেশ্য স্বতন্ত্রপ্রকার, তবে মানসিক গ্লানিনিবারণ, দূষিত-বায়ু-প্রশমন, শত্রুভয়বিনাশন, গ্রহপীড়া-শান্তি পাপপ্রশমন প্রভৃতিই অনেক কবচের উদ্দেশ্য। যদি কেউ অন্যায় বা অসৎ পথে না চলেন তাহলে ইহার ফল পেতেই হবে। বাস্তবিক, যথানিয়মে কবচ ধারণ করলে কোন ভয় থাকে না।